দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে সবাইকে নিয়ে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ (পূর্বাচল ৩০০ ফিট) সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যা একজন মা দেখেন। অর্থাৎ, একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাই। যে বাংলাদেশে একজন মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পারে এবং নিরাপদে ঘরে ফিরে আসতে পারে।’তিনি বলেন, ‘দেশ পুনর্গঠনে আমার একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। এ দেশের সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সেই প্ল্যান আমি বাস্তবায়ন করব।’
তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “প্রিয় বাংলাদেশ, উপস্থিত প্রিয় মুরব্বিবর্গ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং প্রিয় ভাই ও বোনেরা, প্রিয় মা ও বোনেরা আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই আমি রাব্বুল আল আমিনের প্রতি হাজারে শুকরিয়া জানাতেই চাই।
আমি আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পেরেছি। আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি ৭১ সালে লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিন হয়েছিল। …২৪ সালে ৭১ সালে যেমন মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, সর্বস্তরের মানুষ কৃষক শ্রমিক, দল-মত শ্রেণিপেশা নির্বিশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এদেশের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল।
আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়।
গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। যোগ্যতা অনুযায়ী চায় ন্যায্য অধিকার। আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে তেমনি সমতলের মানুষ আছে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যে স্বপ্ন একজন মা দেখে।
অর্থাৎ নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি বলেন, ‘এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে, যেন নিরাপদে ফিরতে পারে।’
ওসমান হাদিকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, “ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”
ঢাকা,বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















